সোমবার, ১৭ Jun ২০২৪, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
অবৈধভাবে জাটকা আহরণের নেপথ্যে কিছু মানুষ কাজ করছে

অবৈধভাবে জাটকা আহরণের নেপথ্যে কিছু মানুষ কাজ করছে

0 Shares

ইন্দুরকানী বার্তা ডেস্ক:
অবৈধভাবে জাটকা আহরণের নেপথ্যে কিছু মানুষ কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। সোমবার (৫ এপ্রিল) জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২১ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম বলেন, অবৈধভাবে জাটকা আহরণের নেপথ্যে কিছু মানুষ কাজ করছে। অবৈধ মৎস্য আহরণে যে ট্রলারগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো সাধারণ মৎস্যজীবীদের নয়, কিছু ধনী অসাধু ব্যক্তির। তারা সমাজ ও দেশের শত্রু। পুষ্টিকর মাছ ইলিশ যাতে বৃদ্ধি করা না যায় সেজন্য তারা কাজ করে।

তিনি জানান, অনেক সময় বিষাক্ত দ্রব্য দেওয়ার পাশাপাশি অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারে না। এভাবে নানা রকম ক্ষতিকর ভূমিকায় বিভিন্ন সেক্টরের অসাধু ব্যক্তিরা সম্পৃক্ত রয়েছে। এসব অবৈধ কাজ বন্ধে ইলিশের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মনিটরিং ক্যামেরা বসানো হয়েছে। দেশের মৎস্য সম্পদের যারা শত্রু, তাদের ব্যাপারে কোনো তদবির শোনা হবে না। বরং এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় সম্প্রতি নেওয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ইলিশ সম্পদ রক্ষায় বিদ্যমান সমস্যা সমাধান করা হবে। অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচালিত অভিযানে অত্যাধুনিক জলযান সংযোজনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। তবে এসব সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা না গেলেও আমরা চেষ্টা করে ‍যাচ্ছি।

করোনাকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন পরামর্শ তুলে ধরেন শ ম রেজাউল করিম। তিনি জানান, এজন্য শাক-সবজির পাশাপাশি মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে। এ মুহূর্তে করোনার ভয়াবহ বৈশ্বিক সমস্যা আমাদের দেশের অভ্যন্তরে মোকাবিলা করতে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের উৎপাদন ও বিপণন বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে ইলিশ গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ।

মৎস্যজীবীদের কল্যাণে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি। বলেন, মৎস্যজীবীদের তালিকা সব সময় হালনাগাদ করার নির্দেশনা রয়েছে। যারা এ পেশা ছেড়ে চলে গেছেন, তাদের তালিকায় রাখা হবে না। যারা নতুন করে এ পেশায় যুক্ত হয়েছেন, তাদের তালিকায় যুক্ত করা হবে। এক সময় ১০ কেজি করে মৎস্যজীবীদের ভিজিএফ চাল দেওয়া হতো, এখন তা ৪০ কেজিতে উন্নীত করা হয়েছে।

গত বছরের অভিযানের সফলতা তুলে ধরেন মন্ত্রী। জানান, গত বছর ২৯ কোটি মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আটক করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। সঞ্চালনায় ছিলেন অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার। স্বাগত বক্তব্য দেন মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ।





প্রয়োজনে : ০১৭১১-১৩৪৩৫৫
Design By MrHostBD
Copy link
Powered by Social Snap